রাসেল কবির// সকল অপরাধের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা মুখরিত হচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চল বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার অন্তর্গত ৫ ইউনিয়নের প্রত্যেকটি গ্রাম পর্যায়ে। সাধারণ মানুষ জীবন-যাপন করছে আতঙ্কে। এই অপরাধ জগতের কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষ বলছে প্রশাসনের ভূমিকার অগ্রগতি নেই। এলাকাবাসী বলছে অপরাধ জগতের মধ্যে দৈনন্দিক চোখে পড়ার মতো। নদী মাতৃক থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। ঘনবসতি এলাকায় ইট ভাটা স্থাপন। এছাড়া মাদক কারবারি ও জুয়ার আসর। এছাড়া প্রায় সময় ঘটছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বসত ঘরে চুরির ঘটনা। ইভটিজিং,ধর্ষণ, হামলা মামলা চলছে। স্থানীয় সাধারণ জনগণ আরো অভিযোগ তুলে বলেন কাজিরহাট থানা শান্তিপ্রিয় এলাকা হিসেবে বিবেচিত হয়নি। খেটে খাওয়া মানুষগুলো বলেন প্রশাসন জনকল্যা হিসাবে কর্মকাণ্ডে পাওয়া যায় না। প্রশাসন কঠোর হলে সকল ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড থেকে অপরাধী বিরত থাকবে। সকল ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ে কাজিরহাট থানা ১৫নং আদর্শ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন হাওলাদার সাথে কথা হলে তিনি বলেন অপরাধ জগত কাজিরহট এলাকায় বেশি। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে অপরাধ কে প্রশ্রয় দিব না। বিদ্যানন্দনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম মীরের সাথে কথা বললে তিনি জানায়। সর্বত্র এলাকায় অপরাধ থাকলেও আমাদের এলাকায় আপনাদের মাত্রা বেশি। এই অপরাধ নির্মূল করার দায়িত্ব স্থানীয় জনপ্রশাসন ও থানা প্রশাসনের। লতা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম হাওলাদের সাথে এ বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানায়। বর্তমানে দলীয় সরকার ক্ষমতায় নেই বলে অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন সকল ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে পারে প্রশাসন। এলাকাবাসীর দাবি সকল ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড নির্মূল হলে কাজিরহাট বাসি শান্তিতে বসবাস করতে পারবে বলে অভিমত। এ বিষয়ে কাজিরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানায়। আমাদের আইনে যা কিছু আছে আমরা /আমি সব সময় অপরাধীর বিরুদ্ধে ।থানায় কেউ আইগত সহায়তা চাইলে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে আমার প্রশাসনিক অভিযান অব্যাহত।

