মোঃ রিপন রেজা স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফলে চারজন বিএনপিপন্থী প্রার্থী এবং একজন এনসিপি পন্থী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ঘোষিত ফলাফল ঘিরে জেলাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বেসরকারিভাবে বিজয় নিশ্চিত করেন। অপর একটি আসনে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পেছনে ফেলে বিজয়ী হন।রিটার্নি কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রায়হান কবির এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল আমিন ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালাম।তাদের মধ্যে আল আমিন এনসিপির প্রার্থী এবং বাকিরা ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।তবে কয়েকটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন অনিয়ম ও উত্তেজনার খবর পাওয়া গেলেও সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।বিজয়ী প্রার্থীরা ফলাফল ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এলাকার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে পরাজিত প্রার্থীদের কেউ কেউ ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে পুনর্গণনার দাবি তুলেছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে চারটি আসনে বিএনপিপন্থী প্রার্থীদের বিজয় দলটির সাংগঠনিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর নিশ্চিত হবে।

