আব্দুল গাফফার শেরপুর(বগুড়া) প্রতিনিধি।
খেলাধুলার বিরোধকে কেন্দ্র করে বগুড়ার শেরপুরে এক মাদ্রাসার ছাত্রকে আটক করে মারধর, বিবস্ত্র করা এবং মাথার চুল কেটে অপমান করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রটি স্থানীয় শহীদিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হামছায়াপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে মাহমুদুল হাসান (১৩) গত ৬ মার্চ দুপুরে খেলাধুলা নিয়ে বিরোধের জেরে কয়েকজন যুবকের হাতে আটক হয়। অভিযোগ রয়েছে, শেরপুর উপজেলার খন্দকারটোলা এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তাকে বিবস্ত্র করে মাথার চুল কেটে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের কারণে কিশোরটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরে স্থানীয়ভাবে তার চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় কিশোরটির বাবা জহুরুল ইসলাম মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাতে শেরপুর থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে একই রাতেই এজাহারভুক্ত আসামি মোতালেব আলভী (১৯)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বেংনাই গ্রামে। তিনি শেরপুর উপজেলার খন্দকারটোলা এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে অনলাইনে নতুন কাপড়ের ব্যবসা করতেন। শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া মোতালেব আলভী মামলার দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

