সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ খঞ্জনপুর বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২৫১ এমপি হতে আনুমানিক ০২ কিঃমিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে (জিআর-৫৫৮৮২৭, মানচিত্র-৭৮সি/১২) খঞ্জনপুর ঈদগাহ মাদ্রাসা মোড় নামক স্থানে আম বাগানের পাশে সিভিল সোর্স এর মাধ্যমে ০১টি কষ্টি পাথরের মূর্তি চোরাকারবারী কর্তৃক বাজারে বিক্রয় করার সংবাদ পেলে পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার মোঃ হাচানুর রহমান এর নেতৃত্বে ০৮ সদস্যের একটি বিশেষ টহলদল ক্রেতা সেজে উক্ত মূর্তিটি ক্রয় করতে গেলে বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারী মূর্তিটি ফেলে পালিয়ে যায়। মূর্তিটির ওজন ২২ কেজি ৩০০ গ্রাম। পরবর্তীতে অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক অভিজ্ঞ স্বর্ণকার কর্তৃক নাইট্রিক এসিড ও স্বর্ণের পরীক্ষার মাধ্যমে মূর্তিটি অত্যন্ত উচ্চমানের কষ্টি পাথরের মূর্তি বলে প্রতীয়মান হয় এবং জুয়েলারী সমিতির অভিজ্ঞ কর্মকারের ভাষ্যমতে জানা যায় উদ্ধারকৃত দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের মূর্তির মূল্য ১১ কোটি টাকারও বেশী।
উল্লেখ্য, উদ্ধারকৃত পাথরের মূর্তিটি স্থানীয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, কাস্টোডিয়ানের কার্যালয়, পাহাড়পুর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর নওগাঁ কর্তৃক অদ্য ১২ জানুয়ারি ২০২৬ পরিদর্শনের মাধ্যমে মূর্তিটি ১১ থেকে ১২ শতকের মধ্যে অত্যন্ত প্রাচীন ও দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের মূর্তি বলে প্রতীয়মান হয়।
নওগাঁ ও জয়পুরহাট সীমান্তবর্তী দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক, দুষ্প্রাপ্য ও অমূল্য সম্পত্তির অবৈধ সীমান্ত পারাপার, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আন্তঃসীমান্তীয় সকল অপরাধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সর্বাত্বক অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন লেঃ কর্নেল মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, পিএসসি।

