কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার মাঝিপাড়ার পূর্ব পাশে স্লুইজগেট নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।গৃহবধূ বিলকিছ খাতুন সুতিরপার গ্রামের আহাম্মেদের মেয়ে। তিনি যাদুরচর গ্রামের সাইজুদ্দিনের স্ত্রী।প্রসবকালীন সুবিধার জন্য বাবার বাড়িতে গিয়েছিলেন বিলকিছ খাতুন । আজ শনিবার বেলা ১১টার সময় থেকে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে জরুরিভিত্তিতে ভ্যানগাড়িতে করে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে ভাঙা বাঁশের সাঁকোর ঝাঁকুনিতে প্রচণ্ড প্রসব বেদনা শুরু হয়। এমন অবস্থায় কূলকিনারা না পেয়ে গর্ভবর্তী মাকে বাঁশের সাঁকোর উপর গ্রামের মানুষের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব করানো হয়। বর্তমানে মা ও কন্যা সন্তান উভয় ভালো আছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১৯৮৮ সালে মাঝিপাড়া সুতির পাড় নামক স্থানে স্লুইজ গেটটি বন্যার পানির চাপে ভেঙে গেলে সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে নওদাপাড়া, চান্দার চর বামনেরচর, খাটিয়ামারী, সুতিরপাড়সহ প্রায় ১০থেকে ১১ গ্রামের মানুষ। দীর্ঘ ৩৫/৪০ বছর আগে রাস্তাটি ভেঙে গেলেও টনক নড়েনি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের। বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিরা ও প্রশাসন বাঁশের সাঁকোর বরাদ্দ দিয়েই চালিয়ে যাচ্ছে যুগের পর যুগ।

