ধুনট, বগুড়া, প্রতিনিধিঃ
বগুড়া ধুনট উপজেলা বাঁশপাতা গ্রামে ছালেহা বেওয়া (৬০), নামে এক বিধবাকে মারপিট করে তাহার ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক প্রাচীর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা। উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের বাঁশপাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার চালিতাডাঙ্গা গ্রামের মৃত ফজর আলীর স্ত্রী।
গত ২৯ শে মার্চ সকাল অনুমান ১০টার দিকে বিধবা ছালেহা বেওয়াকে মারপিট করে মাথার বাম পার্শ্বে কপালে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। বর্তমানে আহত ব্যক্তি ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেসে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত ব্যক্তি বড় ছেলে শাহ আলম তাহার মাকে মারপিট ও তাহার মায়ের দলিল মূল্যে ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক প্রাচীর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা বিষয়ে তিনি বাদী হয়ে ২৯শে মার্চ রাতে ধুনট থানায় ৫ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
ধুনট থানার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছালেহা বেওয়া নিজ নামীয় রেজিঃ হেবার ঘোষণা দলিল মূল্যে ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে যাহার দলিল নং ৭২৯৫ উক্ত সম্পত্তিতে গোপালনগর ইউনিয়নের বাঁশপাতা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলে আব্দুল মুন্নাফ (২৬) আজগর আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৪০), জহুরুল ইসলাম এর স্ত্রী সুখিতন নেছা বেওয়া (৬২), আব্দুর রাজ্জাক এর স্ত্রী জোঁস্না খাতুন (৩৫), আব্দুর রাজ্জাক এর মেয়ে খাদিজা খাতুন (২২) দলবদ্ধ ভাবে বাঁশের লাঠি, লোহার রড, কাঠের বাটাম, ধারালো রাম দা ইত্যাদি নিয়ে সজ্জিত হয়ে বানিয়াগাঁতী জোরপূর্বক ছালেহা বেওয়ার সম্পত্তিতে থাকা ২৫টি বনজ মেহগণী কাঠের গাছ মধ্যে ১৫টি কর্তন করে যাহার বাজার মূল্য ৫০ হাজার টাকা ও তাহার সম্পত্তিতে ইট বালি সিমেন্ট দ্বারা পাকা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করে তখন ছালেহা বেওয়া লোক মারফত সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের নিষেধ করিলে তখন তাদেরকে তাকে মারপিট করে আহত করে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইদুল আলম বলেন, বিধবা ছালেহা বেওয়ার লিখিত এজাহার পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।