মুন্না ইসলাম আগুন স্টাফ রিপোর্টার রাজশাহী:
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ৩ নং পানা নগর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিয়াড় গ্রামে মোছাঃ রিনা বেগম (৪০) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করেছে একই এলাকার মোঃ সোলেমানের ছেলে মোঃ মোরসালিন (১৩) বছরের কিশোর।
জানা যায় আহত রিনা বেগম বিয়াড় গ্রামের বাবুল মিয়ার স্ত্রী । তিনি সাংসারিক কাজে তিনি ছেলে-মেয়ের কাপড় ধুত করার জন্য পাশের পুকুরে যান । পুকুরের পাশে অভিযুক্ত মোরসালিনের বাড়ি। সেখানে তিনি রিনা বেগমকে একা পেয়ে কু প্রস্তাব দেন । রিনা বেগম বিষয়টি নিয়ে রাগান্বিত হলে একপর্যায়ে বাড়ি থেকে ছুরি নিয়ে এসে রিনা বেগমের পেটে ঢুকিয়ে দেন ।
এতে রিনা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তার চিৎকার শুনে পাশে বাসার মোঃ আব্দুল তালেব (৫৫)ও তার স্ত্রী মোছাঃ রুপালি বেগম (৪৫) এগিয়ে আসেন । পরবর্তীতে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রথমে পুটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহীতে নিয়ে যেতে বলেন পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন । তার অবস্থা আরো বেশি খারাপ হলে তাকে (ICU) তে দেওয়া হয়।
চিকিৎসক জানান রিনা বেগমের পেটের নাড়ি ও কিডনি কেটে গেছে । অবস্থা ভালো নয় । নাড়ি কেটে যাওয়ায় তাকে জরুরি ভাবে অপারেশন করা হচ্ছে।
এদিকে আহত রিনা বেগমের সন্তানসহ আত্মীয়-স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মোরসালিন পলাতক।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় থমথমে পরিস্থিতি । উপস্থিত জনতা বলেন রিনা বেগমের পেটের অনেক অংশ কেটে গেছে । অনেক রক্তপাত হচ্ছিল। আমরা জানি না সে বাঁচবে কিনা। আমরা এ ঘটনার শাস্তি চাই।
ঘটনার খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানা পুলিশের এসআই রিপন মিয়া ও এএসআই মুঞ্জুরুল ইসলাম সহ সঙ্গীও ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কর্মস্থল থেকে এই ঘটনা জড়িত থাকা দেশীয় অস্ত্র (ছুরি ) উদ্ধার করা হয়েছে ।
এস আই রিপন মিয়া জানান ঘটনা তদন্ত শেষে আইন ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং আসামিকে ধরার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে

