জিয়া চৌধুরী (খুলনা জেলা প্রতিনিধি)
খুলনায় উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিতে পারায় খুশি নতুন পুরাতন সহ সকল ভোটেরারা। ভোরের আলো ফুটার সাথে সাথে খুলনার প্রায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহনের সকল প্রস্ততি সম্পন্ন হয় এবং সকাল সারে ছয়টা থেকে ভোটারা ভোট কেন্দ্রে আসতে শুধু করে। তাছাড়া বিএনপি – জামায়াত সহ অন্যান্য দলের কর্মি সমার্থক, এজেন্টদের আনাগোনা বাড়তে থাকে এবং সকাল সারে সাতটা থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। খুলনার দৌলতপুর দেয়ানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেয়ানা মহিলা দাখিল মাদরাসা, দেয়ানা দক্ষিন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেয়ানা মধ্যেপাড়া খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস, দৌলতপুর বীণাপাণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি দৌলতপুর মহাসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মুহাসিন বালিকা বিদ্যালয়, সহ অনেক কেন্দ্রে ভোটারদের আনা গোনায় ভোট কেন্দ্র গুলো ছিল মুখোরিত। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারদের উপচে পরা ভীর লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে প্রতিটি কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পরার মত। তবে দুপুর একটা পর্যন্ত তেমন কোথায় কোন অপ্রিতীকর ঘটনা খরব পাওয়া যায়নি। দেয়ানা দক্ষিনপাড়া কেন্দ্রে কথা হয় রাজিয়া বেগম পপি নামের এক গৃহবধুর সাথে তিনি বলেন আমি বিগত সরকারের আমলে ভোটার হয়েছিলাম কিন্তু ভোট দিতে পারিনি। এবার জীবনে প্রথম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও গণ ভোট হ্যা – না ভোট দিতে পেরে খুব ভাল লাগছে মনে হচ্ছে আমি আমার নাগরীক অধিকার ফিরে পেয়েছি। তবে আশাকরছি আমার পছন্দের প্রার্থী বিজয়ী হবেন। তাছাড়া ভোট কেন্দ্র গুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহীনি ছিলো অতিতৎপর।

