রাসেল কবির// বরিশাল জেলার ৬ নং বিদ্যানন্দপুর মডেল ইউনিয়নে চর খাজুরিয়া , গ্রামে ৮ নং ওয়ার্ডের গত শনিবার রাত আনুমানিক ৭:৩০ মিনিটে মিজান চৌকিদার সহ একদল সন্ত্রাসীরা পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মিরাজ কে হত্যার উদ্দেশ্য কুপিয়ে রক্তাক্ত যখন করেন। মিরাজ মাতুব্বরের স্বজন সূত্রে জানা যায়। মিজান চৌকিদার দীর্ঘদিন এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত থাকায়। মিরাজ মাতুব্বর অনেক সময় মিজান চৌকিদারের এই অপকর্মে বাধা হয়ে দাঁড়াতেন। এই ঘটনার ধারাবাহিকতায় গতকাল মিজান চৌকিদার মিরাজ মাতুব্বর কে প্রকাশ্য হুমকি দেয়। আজকের দিনের ভিতরে তোকে মারপিট করব কেউ আমাকে বাধা দিতে পারবেনা।

এই ঘটনায় মিরাজ মাতুব্বরের ভিতরে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। মাগরিবের নামাজের পরে মিরাজ মাতুব্বর পরিত্যক্ত একটি ভ্যান এর উপরে বসে থাকে। হঠাৎ সাবেক ইউপি আলম মাতুব্বর, বসার মিজানকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংবাদ দিয়ে মিরাজ কে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখন করার ঘটনায় আলম মাতুব্বর ও বসারের নির্দেশক্রমে ঘটনাটি ঘটে। মিরাজ মাতুব্বর আরো জানান গত দুই দিন আগে মিজান চৌকিদার, আলম মাতুব্বর, বসার পাগলা আমিরের স্ত্রীর সাথে একটি অপকর্মের কথা ভিডিওতে প্রকাশ করেন। এবং আমিরের স্ত্রীকেও মিরাজ মাতুব্বর কে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার জন্য দায়ী করেন। ঘটনার সংবাদ কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ নবিউল হাসান মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পেরে দ্রুত কাজিরহাট থানার এসআই মেহেদিকে সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পাঠান। এসআই মেহেদী ঘটনা স্থলে গেলে মিরাজ মাতুব্বর কে দ্রুত বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবার ব্যবস্থা করেন। অতঃপর মিরাজ মাতুব্বর কে তাহার সজনরা বরিশাল মেডিকেল নিয়ে যায়। মিরাজ মাতুব্বরের শারীরিক পরিস্থিতি অত্যান্ত ভয়াবহ থাকায়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে দ্রুত ঢাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন অবশেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা নিয়ে যান। মিজান চৌকিদার দীর্ঘদিন জুয়া মাদক বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। মিজান চৌকিদারের বিরুদ্ধে কাজিরহাট থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার সুত্রে জানা যায় মিজান চৌকিদার অত্যান্ত সন্ত্রাসী কার্যক্রম দীর্ঘদিন এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর একটাই দাবি তাহার খুটির জোর কোথায় , এবং মিজান চৌকিদার সহ সকল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো কোন মামলা দায়ের হয় নাই। এই ঘটনায় মিজান চৌকিদারের সাথে তাহার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিদ্যানন্দ পুর ৮ নং ওয়ার্ডে বর্তমানে পরিস্থিতি থমথম বিরাজ করছে।

