ঢাকাFriday , 21 June 2024
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অভিযোগ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আটক
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আবহাওয়া
  9. ইতিহাস
  10. কবিতা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি
  13. খুন
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে কচুয়ায় পেশেন্ট কেয়ারের গাফিলতিতে প্রসূতি মায়ের মৃত্যু।

দেশ চ্যানেল
June 21, 2024 8:43 am
Link Copied!

মাসুদ মীর। বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের কচুয়ায় পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাধীন প্রসূতী মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

 

প্রসূতী মায়ের মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের সোনাকুড় গ্রামের বিলকিস বেগম(৩৫) নামে একজন গর্ভবতী মা গত বুধবার সিজারের জন্য আনুমানিক সকাল ১১ টায় কচুয়ায় পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হয়। সেখানে বাগেরহাট ২৫০ সজ্জা বিশিষ্ট হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দার ও একই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইন্দ্রজিৎ বিকালে ঐ প্রসূতি মায়ের সিজার সম্পন্ন করে বাগেরহাটে ফিরে যায়। পরবর্তীতে প্রসূতি মায়ের রক্তক্ষরণ শুরু হলে ক্লিনিকে কোন দায়িত্ব প্রাপ্ত ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিকের ডিপ্লোমা নার্স সারমিন আক্তার তার চিকিৎসা করার চেষ্টা করেন এক পর্যায়ে প্রসুতি মায়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় সে বাগেরহাটের ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দারের পরামর্শে রাত ৯ টার পরে রোগীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে গিয়ে রোগীর অবস্থা আরো অবনতি হলে কিছু সময় পরেই রোগী মারা যায়।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ক্লিনিকে সার্বক্ষণিক ডাঃ ফয়সাল হোসেন নামে একজন ডাক্তার ২৪ ঘন্টা থাকার কথা থাকলেও ঐ দিন তিনি ছুটিতে ছিলেন। এছাড়াও ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন বৈধ ল্যাব টেকনোলজিস্ট থাকার কথা থাকলেও বৈধ কোন টেকনোলজিস্ট নেই। শাহীন নামে একজন সার্টিফিকেট বিহীন অনভিজ্ঞ ব্যাক্তিকে দিয়ে এ কাজ করান।

 

এ বিষয়ে মৃত বিলকিস বেগমের স্বামী সামিম ব্যাপারী বলেন, আমার স্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল তার কোন ধরনের অসুস্থতা ছিল না। ১৭ হাজার টাকা চুক্তিতে সিজারের জন্য আমার স্ত্রীকে কচুয়া পেশেন্ট কেয়ারে ভর্তি করি। পরে ৫ টার দিকে ওটিতে নিয়ে যায় এরপর বাইরে বসে কয়েকবার আমার স্ত্রীর চিৎকার শুনি। পরে নার্সকে জিজ্ঞেস করলে বলে ও কিছু না। পরে আমার স্ত্রীর একটি পুত্র সন্তান হয় এবং ডাক্তার চলে যায়। পরবর্তীতে রাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় ক্লিনিকে কোন ডাক্তার না থাকায় নার্স এবং আয়া সুস্থ করার চেষ্টা করে এক পর্যায়ে না পেরে বাগেরহাটের ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দারকে ফোন দিলে তিনি দ্রুত খুলনা পাঠানোর ব্যাবস্থা করতে বলেন তার পরামর্শ অনুযায়ী স্ত্রীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরে মারা যায়। ক্লিনিকের গাফিলতির কারণেই তার স্ত্রী মারা গেছে বলে মৌখিক অভিযোগ করেন। তিনি এর বিচার দাবি করেন।

 

ক্লিনিকের পরিচালনা পর্ষদের কার্যকারী সদস্য মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, অভিজ্ঞ ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দারের মাধ্যমে আমরা ভালোভাবে সিজার সম্পন্ন করি। এ সময় রোগী সুস্থই ছিলেন কিন্তু হঠাৎ করে রোগী অসুস্থ হলে ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দারের পরামর্শে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করি। পরবর্তীতে শুনি ওই রোগী নাকি মারা গেছে।

 

ক্লিনিকের পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রোগী আমাদের এখানে ভর্তি ছিল। ৯ টার দিকে আমি একটু ছুটিতে ছিলাম হটাৎ শুনলাম রোগী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দারের পরামর্শে তাকে খুলনা পাঠানো হয়েছে। পরে রাত ২ টার দিকে শুনতে পাই রোগী মারা গেছে। তবে নবজাতক শিশুটি সুস্থ আছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST