রাসেল কবির// এক সময় মেহেন্দিগঞ্জের পাতারহাট বন্দরে নৌ পথে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে বিভিন্ন জেলা থেকে নৌ পথে মালামাল নিয়ে পাতারহাট বন্দরে প্রবেশ করত ছোট বড় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার, মালবাহী কারগো এবং নৌকা। এখন আর এসব নৌ পথে যানবাহন দেখা যায় না। একটি খাল দিয়ে সকল ধরনের যানবাহন নোঙ্গর করে রাখত পাতার হাট সাব রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন মেহেন্দিগঞ্জের ৭ নং ওয়ার্ডের গন্তব্যস্থানে ধান বাজার। সূত্রে জানা গেছে পাতারহাট বন্দর থেকে ব্যবসায়ীদের পাইকারি মালামাল ক্রয় বিক্রয় অতি সহজ মাধ্যম ছিল। এই খালটি আড়িয়াল খাঁ নদী মোহনা থেকে ১টি শাখা বয়ে যায় স্টিমার ঘাট হয় তেতুলিয়া নদীতে । ওই শাখা খালটি দীর্ঘ বছর যাবত পানি প্রবেশ করতে না পারায় এখন মৃত খাল হিসাবে চিহ্নিত। খালতি মরে যাওয়ার ফলে পাতারহাট বন্ধরে কোন প্রকারে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার মালবাহী কারগো প্রবেশ করতে পারে না বলে ব্যবসায়ীদের মালামাল অন্য স্থানে আনা নেওয়া করতে পারছে না বলে সকল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সফলতা কমে গেছে। সূত্রে জানা গেছে, দূর দুরন্ত থেকে এই বন্দরে ধান, পাট, মরিচ, সুপারি সহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল পাইকারি ও খুরচা মূলে বিক্রি হতো। পাতারহাট বান্দর ব্যবসায়িক কেন্দ্র হলেও ওই খাল দিয়ে জোয়ার ভাটার পানিতে এখন ছোট ছোট ইঞ্জিন চালিত টলার ও নৌকা ছাড়া কিছুই প্রবেশ করতে পারে না। আবারও দেখা গেছে পানি কম হওয়াতে খালের ভিতরেই আটকে পড়ে টলার নৌকা পানি বেশি হলে পুনরায় মালামাল নিয়ে চলে যেতে হয় কষ্টসাধ্যের মধ্যে বলে জানা গেছে।

