জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
নড়াইলের লোহাগড়া কলেজ পাড়া নিবাসী লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শ.ম.আনোয়ারুজ্জামানকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়ে ছিলো ৯১ বছর।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা ২ টার দিকে লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাম্মী কায়সার রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম প্রদান করেন।
এ সময় জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহ। লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজ, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও মুক্তিযুদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় ।
লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল তাকে গার্ড অব অনার দেন এবং এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে একই স্থানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লোহাগড়া বাজার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
গার্ড অব অনার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড.ফরিদুজ্জামান ফরহাদ,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মকবুল সিকদার, লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ রেহবার দারাজ, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান, নড়াইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ টিপু সুলতান, লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ হিমায়েত হোসেন, বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আহাদুজ্জামান বাটু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ মিলু শরিফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম মশিয়ার রহমান সান্টু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নড়াইল জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আলমগীর হোসাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মো. জামিরুল হক টুটুল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লোহাগড়া উপজেলা শাখা আমীর মাওলানা হাদিউজ্জামান, লোহাগড়া পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোল্যা নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামচুল হক আজাদ, এস এ সাইফুল্লাহ মামুনসহ বীর মুক্তিযোদ্ধারা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি এক পুত্র ও তিন কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

