মোঃ রিপন রেজা স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদী ঘেঁষা গ্রাম পাঁচকানীর কান্দি (পাঁচানী) ও শান্তিনগর এবং কোরবানপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মুখোমুখি ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০/১২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়-পূর্ব শত্রুতার জেরে ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কোরবানপুরের রাসেল গ্রুপ ও পাঁচ কানীরকান্দির(পাঁচানী)আব্দুল হামিদ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের উপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।সংঘর্ষ চলাকালীন সময় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।উভয় পক্ষের সংঘর্ষে একাধিক বসতবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।বাজারে উপস্থিত সাধারণ মানুষ উভয় পক্ষের সংঘর্ষের কারণে বিভিন্ন দিকে ছোটাছুটি করে এবং বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।উভয় পক্ষের সংঘর্ষে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।উভয় পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধান এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।ঘটনার খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ও র্যাব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মহিবুল্লাহ জানান-খবর পাওয়া মাএই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পরবর্তীতে এলাকায় যাহাতে শান্তি বজায় থাকে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছেন।

