লোহাগড়া প্রতিনিধি নড়াইল
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ( PIO) তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পর ও তথ্য দিতে নয়ছয় করেন ওই অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
গত ১৮ মে সোমবার তথ্য প্রাপ্তির আবেদন ফরম “ক” ও তথ্য অধিকার বিধিমালা বিধি -৩ মোতাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, লোহাগড়া, নড়াইল বরাবর সাংবাদিক সরদার রইচ উদ্দিন টিপু আবেদন দাখিল করেন।
কিন্তু ২০ কার্যদিবস পার হলে উল্লেখিত কর্মকর্তারা তথ্য না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকে। এভাবে দীর্ঘ ৩ মাস অতিবাহিত করার পর ১০ আগষ্ট সোমবার বিকাল ৩ টায় ওই অফিসের ইন্জিনিয়ার মোঃ ওলিউর রহমান অফিসে নিয়ে বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অফিসিয়াল চিঠি দেন। সেই চিঠিটি একটি প্রতারণা মুলক চিঠি বলে প্রতিয়মান হয়। আবেদন করা হয় ১৫ মে ২০২৬। কিন্ত টাকা জমা দেওয়ার জন্য লিখিত ভাবে স্বাক্ষরিত চিঠি তারিখ ১৯ মে ২০২৬। সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ৩ মাস পর ১০ আগষ্টে সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিতে যেয়ে পিছনের তারিখে স্বাক্ষর দেখে সাংবাদিক ওই চিঠি গ্রহণ করে নাই।
এঘটনায় লোহাগড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অঃদাঃ) মোঃ মোস্তফা কামালের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি আজ চিঠি স্বাক্ষর করেছি। সেই কথায় সাংবাদিক রইচ উদ্দিন টিপু বলেন আপনার স্বাক্ষর তো ১৯ মে ২০২৬ তারিখের তাহলে আপনি কিভাবে আজকে চিঠি স্বাক্ষর করেছেন? এই প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারেন নাই ওই প্রকল্প কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল।
সুশীল সমাজের ধারণা নিশ্চয়ই এখানে দূর্নীতি হয়েছে তা না হলে ৩ মাস পরও কেন সাংবাদিকদের তথ্য দিচ্ছেন না। এবিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
এই ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমান সাথে কথা হলে তিনি খুব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন তথ্য অধিকার আইনে সাংবাদিকদের তথ্যদিতে বাধ্য।কেন তথ্য দিচ্ছেন না বিষয়টি আমি দেখছি।

