জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের দিঘলিয়া বাজারের নবনির্মিত চান্দির ঘর বিতরন সঠিক হয়েছে বলে মনে করেন বাজার কমিটি ও স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা।
শুক্রবার বেলা ১১ টায় দিঘলিয়া বাজারে সরোজমিন ঘুরে স্থানীয় বাজার কমিটি ও কয়েকজন ব্যাবসায়ী বলেন আমারা সঠিক ভাবে দোকান ঘর বরাদ্দ দিয়েছি।
সুত্রে জানাগেছে দিঘলিয়া বাজারে মৎস্য ও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর কতৃক ১৬ কক্ষ বিশিষ্ট একটি নতুন চান্দিনা নির্মান করা হয়। নির্মান শেষে মৎস্য ও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের চিঠি মোতাবেক ওই চান্দিনার ঘর বরাদ্দ হয়েছে।

নতুন ঘর বরাদ্দ নিয়ে ওই চান্দিনার ব্যাবসায়ী মতিয়ার শেখ,মতিয়ার খান,খসরুজ্জামান,সাদেকুল ইসলাম,তৈয়বুর রহমান সহ ৬/৭ জন দোকানির সাথে কথা হলে তারা বলেন আমরা ক্ষুদে ব্যাবসায়ী, আমরা বিনা টাকায় চান্দির দোকান ঘর বরাদ্দ পেয়েছি। আমরা অনেক বছর যাবত এই বাজারে ব্যাবসা করে আসছি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচায় বাছায় করে আমাদের চান্দিনর ঘর বরাদ্দ দিয়েছে চেয়ারম্যান ও বাজার কমিটি। আল্লা পাকের ইচ্ছায় আমরা সুন্দর ভাবে ব্যাবসা করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বাজারের কয়েক দোকানির সাথে কথা হলে তারা বলেন টাকা পয়সা লেনদেন হয়েছে এমন ঘটনা আমাদের জানা নাই।
বাজার কমিটির উপদেষ্টা মোঃ আযম হোসেন ও সাবেক সভাপতি মোঃ তুহিন ইসলাম ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি মোঃ কামাল হোসেন বলেন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিঘলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ যাচাই বাছাই করে চান্দির ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একটি মহল আমাদের নামে কুৎসা রটনা করেছে। তারা প্রমান দিতে পারলে আমাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে কোন আপত্তি থাকবেনা।
আপনারা জানেন বাজারে ৩ শ এর অধিক ব্যাবসায়ী এই বাজারে ব্যাবসা করেন। এদের মাঝ থেকে ১৬ জনকে নতুন ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যারা বন্চিত তারা আমাদের নামে কুৎসা রটনা তো করবে।
এবিষয়ে দিঘলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ বোরহানের সাথে সাংবাদিকদের কথা হলে তিনি বলেন ওই বাজারে বনিক সমিতির একটি সুসংগঠিত কমিটি রয়েছে। নতুন চান্দিনা বন্টনের ক্ষেত্রে বাজার কমিটি, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি ও আমি থেকে যাচাই বাছাই করে চান্দির ঘর বন্টন করা হয়েছে। আমি মৎস্য ও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের চিঠি মোতাবেক চান্দিনায় ঘর বন্টন করেছি।
এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা প্রানী সস্পদ কর্মকর্তার শ্যামল চন্দ্রের মোবাইল ফোনে (০১৭৩৭৩৯০২১৭) কথা হলে তিনি বলেন মৎস্য ও প্রানী অধিদপ্তর থেকে চান্দিনা বন্টনের চিঠি দিয়েছে সঠিক। কিন্তু খাস জমির মালিক এসিল্যান্ড সেকারনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে বন্টন করলে সঠিক হতো বলে আমি ধারনা করছি।

