ভেড়ামারা প্রতিনিধি –
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর এ শিশু ধর্ষনের ঘটনা নিয়ে তোলপাড়। ধর্ষক নিজাম পলাতক। চেক গায়েব করে মেম্বারের সমঝোতার চেষ্টার তথ্য প্রমাণ ডিলিট। ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবাদিক (সাংবাদিক কামরুল ইসলাম বাড়ি গোলাপ নগর) কে লাঞ্চিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার এর জোর দাবী জানাচ্ছি।
এলাকাবাসী এবং থানার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশু ধর্ষণের ঘটনার নিউজ সংগ্রহ করাকে কেন্দ্র করে।

ছবি : দেশ চ্যানেল
সাংবাদিক মোঃ কামরুল ইসলাম পিতা-মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং-গোলাপনগর (শাহপাড়া; ওয়ার্ড নং-০৫),
মোকারিমপুর, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়া কে
অভিযুক্ত আসামী -০১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৫), পিতা-মৃত মুকুল প্রামানিক,
০২। মোঃ স্বপন (৩৭), পিতা-মোঃ হাসু, উভয়সাং-গোলাপনগর (বাগগাড়িরপুল; ওয়ার্ড নং-০১), থানা-
ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াদ্বয় সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদী ০৮/১০ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে লিখিতভাবে
অভিযোগ দায়ের করছি যে, ইং-১৪/১০/২০২৩ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ভেড়ামারা
থানাধীন গোলপনগর বাগগাড়িরপুল গ্রামস্থ জনৈক মমিন পিড়িনির বসত বাড়ির সামনে ষাট বছরের বৃদ্ধা
নিজাম (৬০), পিতা-মৃত হামছের আলী, সাং-গোলাপনগর (বাগগাড়িরপুল; ওয়ার্ড নং-০১), থানা-
ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়া কর্তৃক চার বছরের শিশু মোছাঃ সাদিয়া (০৪), পিতা-মোঃ ওয়াসিম, সাং-
গোলাপনগর (বাগগাড়িরপুল; ওয়ার্ড নং-০১), থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়ার ধর্ষনের তথ্য সংগ্রহ
করতে গেলে উক্ত বিবাদীদ্বয় এবং তাদের নির্দেশে সকল বিবাদীগণ একত্রিত হয়ে আমাকে অশ্লীলভাষায়
গালিগালাজ প্রদান করতঃ আমার সহিত ধাক্কাধাক্কি করে মারমুখি আচরন করে জোরপূর্বকভাবে আমার
ব্যবহৃত কালো রংয়ের এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে মোবাইলে থাকা উক্ত ঘটনার তথ্য প্রমান
সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য প্রমান এবং ভিডিও ফুটেজ ডিলেট করে দেয় যাহাতে আমার পেশাগত ক্ষতি
সাধন হয়। অতপরঃ বিবাদীদ্বয় আমাকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা খুনজখমের হুমকি সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি
প্রদান করে ঘটনাস্থলে আটকিয়ে রাখে। সাক্ষী-০১। মোঃ তরিকুল (২৫), পিতা-মোঃ আমিরুল, সাং-
গোলাপনগর (বাগগাড়িরপুল; ওয়ার্ড নং-০১), ০২। মোঃ মিনারুল (২৬), পিতা-মোঃ বাচ্চু, সাং-
গোলাপনগর (শাহপাড়া; ওয়ার্ড নং-০৫), উভয়থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াদ্বয়ের সহযোগিতায় ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সহকর্মীগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মোবাইল ফোনটি সহ আমাকে উদ্ধার করে।
ভেড়ামারায় সাংবাদিক সমাজ উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং প্রশাসন কে অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন।