বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পূর্বে নির্বাচন ইশতেহারের মধ্যে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম কৃষকদের মাঝে কৃষি কার্ড বিতরণ সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষিকার্ড দেওয়ার কর্মসূচিতে খুলনায় প্রথম দফায় ৯টি ইউনিয়নকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইউনিয়নগুলোতে দুটি করে ব্লকে জরিপের কাজ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ব্লকের জরিপের কাজ চলছে। প্রথম দফায় এসব ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১০৫ জন কৃষক কৃষিকার্ড পাবে। বর্তমান সরকারের আমলে ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে জেলায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৬০৩জন কৃষক কার্ড পাবে।
বিএনপি’র নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল ফ্যামেলীকার্ডথ ও কৃষককার্ড। কৃষকদের সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর, দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট, ফুলতলা উপজেলার সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ, দাকোপ উপজেলার সদর, পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালি ও কয়রা উপজেলার সদর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি এ ৯ ইউনিয়নের ২৩ হজার ১৫০জন কৃষককে কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে শনাক্ত করেছে। এ কমিটি মধ্য আগস্ট পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪৭৯ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কৃষকরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বার্ষিক অনুদানের অর্থ পাবে। প্রত্যেক কৃষক বছরে আড়াই হাজার টাকা অনুদান পাবেন।
কৃষি সম্পসারনের তথ্য অনুযায়ি কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায মূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষি বীমা প্রশিক্ষণ, ভুর্তকি-প্রনোদনা, ঋণ ও কৃষি উপকরণ পাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোঃ তৌহিদীন ভুইয়া ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকরা কার্ড পাবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এটি ডেবিটকার্ড হিসেবে গণ্য হবে। প্রতিবছর কৃষক আড়াই হাজার টাকা অনুদান প্রাপ্তির সরকারি ঘোষণা তিনি পুনব্যক্ত।

