ঢাকাFriday , 23 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অভিযোগ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আটক
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আবহাওয়া
  9. ইতিহাস
  10. কবিতা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি
  13. খুন
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হবিগঞ্জ মাধবপুরে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ভেকু কাজের ২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ টাকা পাওনার অভিযোগ।

দেশ চ্যানেল
October 23, 2026 11:57 am
Link Copied!

মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,,

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানে মাটি কাটা ও মাটি ভরাটের কাজ করে প্রায় ৬-৭ বছর ধরে পাওনা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাগান কর্তৃপক্ষের কাছে পাওনা টাকার জন্য যোগাযোগ করেও তিনি প্রতিশ্রুতি ছাড়া অর্থ পাননি।

এ বিষয়ে মো. রফিকুল ইসলাম গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান। এর আগে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৭/০৮/২০২৫ তারিখে ও তিনি আবেদন করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম মাধবপুর বাজারের মুন্সি টাওয়ারে ‘ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তাঁর দাবি, তেলিয়াপাড়া চা বাগানের মাটি কাটা ও মাটি ভরাটের কাজের জন্য বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি ঘণ্টা ১ হাজার ৮০০ টাকা হিসেবে ১১২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এবং প্রতি ঘণ্টা ১ হাজার ৬০০ টাকা হিসেবে ১০৪ ঘণ্টা ভেকু দিয়ে কাজ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কাজের বিপরীতে মোট বিল দাঁড়ায় ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ টাকা। পরবর্তীতে বাগান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি ২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ টাকা এখনো পরিশোধ করা হয়নি বলে দাবি করেন রফিকুল ইসলাম।

রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, পাওনা টাকা চাইতে তিনি তেলিয়াপাড়া চা বাগানের কার্যালয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু তাঁকে বিভিন্ন সময়ে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে বকেয়া অর্থ পরিশোধ করা হয়নি। তাঁর দাবি, বর্তমান বাগান ব্যবস্থাপক ও একজন কেরানি কয়েক দফা ফোন করে তাঁকে বাগানে ডেকেছেন এবং পাওনা টাকা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকারও করেছেন; তবে এখন পর্যন্ত টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

তিনি আরও দাবি করেন, পাওনা টাকার বিষয়ে তাঁর কাছে চুক্তি ও কাজ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কেরানির কাছেও এ-সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ফাইল ও ডকুমেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, “বছরের পর বছর পরিশ্রম করে কাজ করার পরও পাওনা টাকা না পাওয়ায় আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও মাধবপুর ইউএনও কার্যালয়ে আবেদন করেও এখনো পাওনা টাকা পাইনি। আমি আমার ন্যায্য পাওনা ও সুবিচার চাই।”

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর বকেয়া ২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে তেলিয়াপাড়া চা বাগান কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে বাগান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST