স্টাফ রিপোর্টার (ভোলা)।।
ভোলার তজুমদ্দিনে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের কীর্তন শুনতে গিয়ে এক সন্তানের জননী বাঁকপ্রতিবন্ধী এক নারী গণধর্ষন ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুশেন দাসের মেয়ে বাঁকপ্রতিবন্ধী একসন্তানের জননী (২৫) রবিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যায়।পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটো চালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে উঠিয়ে নিয়ে আসে। অটো কীর্তনের পাশেই ধোপাবাড়ির দরজায় আসলে তিনজনে মিলে প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে জোর করে চেতনা নাশক ঔষধ খাওয়াই দিয়ে তিনজন মিলে রাতভর পালাক্রমে যুবতীকে ধর্ষণ করে। পরে রাতের শেষ ভাগে যুবতীর হুস ফিরলে দেখতে পান তার পরনের সেলোয়ার রক্তে ভিজে গেছে। এঅবস্থা দেখে যুবতী ডাক চিৎকার করলে ধর্ষকরা তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। ধর্ষিতার ব্যাপক ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা.সামছুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষনের শিকার যুবতীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তখনও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রকৃয়াধীন রয়েছে।তবে নিউজ লেখা পর্যন্ত পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসা বাঁধের জন্য হোটেল ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন (সালুর) ছেলে রাকিব(২৭)কে আটক করেছে।

