বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:
যৌথ বাহিনীর কঠোর নজরদারি তবুও খুলনা শহর এখন খুনের নগরীতে পরিনত প্রতিদিনই হচ্ছে খুনখারাবি নগর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক ঘর থেকে বের হওয়াটাই হয়ে পড়েছে দায় কথিত সন্ত্রাসীরা ওত পেতে থাকে অলিতে গলিতে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে শহর জুড়ে, ঘরে থাকা বয়স্হা যুবতী মেয়ে উঠতি বয়সের যুবক ছেলে এদের নিয়ে থাকতে হয় সার্বক্ষণিক দুশ্চিন্তায় এমন অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে খুলনা নগরীর দোলখোলায় বসবাসরত ব্যাংক কর্মকর্তা হেলাল আহমেদ এ সময় তিনি আরো বলেন প্রশাসন হাগড করে কতিপয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীও চুনোপুঠি মস্তানদের গ্রেপ্তার করলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে শহরের আতঙ্ক আলোচিত রাঘব বোয়ালরা আর এসকল আতঙ্কিত কিলারদের উৎপাতে ব্যবসায়ীরা ঠিক মতন ব্যবসা করতে পারছে না নির্ঝঞ্ঝাট ভালো মানুষেরা শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না অথচ এদের দমন করতে প্রশাসন বিভিন্ন কায়দায় তৎপর রয়েছে তা সত্ত্বেও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চলাকালে দুর্বৃত্তের গুলিতে রফিক গাজী ওরফে ঢাকাইয়া রফিক (৪৫) নামে বিএনপির এক কর্মী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর লবণচরা থানাধীন মাথাভাঙ্গা কাজীপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত রফিক ওই এলাকার রতন গাজীর ছেলে।
রফিক গাজীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, রফিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে একটি দোকানে বসা ছিলেন। এ সময়ে হেলমেট পরিহিত এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়েন। এর মধ্যে একটি গুলি তাঁর পেটে বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে তাঁকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের সব দোকান বন্ধ দেখতে পান তিনি। হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে চাইছে না। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আসাবুর রহমান জানান, রফিক গাজী জলমা ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগে থাকতেন।
অভিযোগ রয়েছে, খুনি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রবাজ, মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তারে খুলনায় এক সপ্তাহ ধরে বিশেষ অভিযান চলছে। কিন্তু বিশেষ অভিযানের খবর আগেভাগেই সন্ত্রাসীদের কাছে চলে যাচ্ছে। ফলে বড় সন্ত্রাসীদের ধরা সম্ভব হচ্ছে না। ঢাকঢোল পিটিয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাহিনীর প্রধানদের গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি।

