ঢাকাTuesday , 11 August 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অভিযোগ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আটক
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আবহাওয়া
  9. ইতিহাস
  10. কবিতা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি
  13. খুন
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লোহাগড়া পৌরসভার কর্মচারী ওসমানকে বিধিবহির্ভ‍ূত চাকরি থেকে অব্যাহতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

দেশ চ্যানেল
August 11, 2026 1:56 pm
Link Copied!

জেলা নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার কর্মচারী ওসমান গণিকে বিধিবহির্ভূত ও অন্যায় ভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে লক্ষীপাশা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ওসমান গণি জানান, তিনি লোহাগড়া পৌরসভায় ১০ বছর যাবত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। হঠাৎ করে কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ বা কারণ দর্শানোর চিঠি ছাড়াই গত ২৬ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। লোহাগড়া পৌরসভার তৎকালীন প্রশাসক সুস্মিতা সাহা স্বাক্ষরিত পত্রে ওসমান গণিকে ডাকযোগে অব্যাহতির এ আদেশ পাঠানো হয়েছে। পরদিন (২৭ জুলাই) তিনি লোহাগড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক হিসেবে শেষ অফিস করেন। এরপর সুস্মিতা সাহা পড়ালেখার জন্য সরকারি ভাবে আমেরিকায় গেছেন। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওসমান গণি আরও বলেন, কোনো প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বিধিবহির্ভূত ভাবে আমাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আমার বিরুদ্ধে যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সে গুলোর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আমি নিয়মিত অফিসে আসি না। অফিসের কোনো কাজে পাওয়া যায় না। কোনো কর্মকর্তার আদেশ মানি না। ওসমান গণি বলেন, আমি যথাযথ ভাবে অফিসে হাজিরা দিয়েছি। যার প্রমাণ হাজিরা খাতায় উল্লেখ রয়েছে। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। এক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যদি কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মানুযায়ী কর্তৃপক্ষ আমাকে মৌখিক বা লিখিত ভাবে সতর্ক করতে পারতেন বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে পারতেন। কিন্তু, এ ধরণের কোনো নোটিশ আমাকে দেওয়া হয়নি। সরাসরি চাকরি থেকে অব্যাহতির নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ১০ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারির মধ্য থেকে সম্প্রতি ছয়জনের বেতন বৃদ্ধি করা হয়। বাকি চারজন ঠিকমত অফিস করেন না উল্লেখ করে তাদের বেতন বৃদ্ধি করেননি তৎকালীন পৌর প্রশাসক। অথচ, বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উদ্দেশ্যমূলক আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এদিকে, পৌর কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত মাসিক সভায় আমার চাকরিচ্যুতির বিষয়টি যথাযথ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সভার কার্যবিবরণী, রেজুলেশন ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

ভুক্তভোগী ওসমান গণি বলেন, আমার চাকরিচ্যুতির নেপথ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমি পৌরসভার প্রকৌশল শাখায় কাজ করেছি। সেখানে দায়িত্ব পালন করার সময় পৌরসভার কার্যসহকারী কবির হোসেনের সঙ্গে আমার বিরোধের সৃষ্টি হয়। তার প্ররোচণায় আমাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে আশঙ্কা করছি। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

এছাড়া লোহাগড়া পৌরসভার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব পালন, পদায়ন, আর্থিক লেনদেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল-ভাউচার এবং নকশা অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়মের সঠিক তদন্ত করে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি করছি।

এ ব্যাপারে লোহাগড়া উপজেলার তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক সুস্মিতা সাহা মোবাইল ফোনে জানান, তিনি চায়লে আউটসোর্সিংয়ের (চুক্তিভিত্তিক) যে কাউকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST