মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের ভান্ডারুয়া গ্রামে গলা কাটা এক যুবকের লাশ আসায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহতের নাম আব্দুল কাইয়ুম (১৯) পিতা সাঈদ মিয়া। তিনি চট্টগ্রামে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,,গতকাল (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই বাসায় গলা কেটে তার মৃত্যু হয়। পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পরিবার লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের পরিবার জানায়, কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মানসিক অসুস্থতার কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে...
মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,,
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের ভান্ডারুয়া গ্রামে গলা কাটা এক যুবকের লাশ আসায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহতের নাম আব্দুল কাইয়ুম (১৯) পিতা সাঈদ মিয়া। তিনি চট্টগ্রামে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,,গতকাল (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই বাসায় গলা কেটে তার মৃত্যু হয়।
পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পরিবার লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের পরিবার জানায়, কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মানসিক অসুস্থতার কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
এ বিষয়ে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খায়রুল বশর বলেন, আমরা লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জে পাঠিয়েছি। রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।