কপিলমুনি প্রতিনিধি ;
এক সময়কার দক্ষিণ বাংলার চরমপন্থী দলের অন্যতম লিডার মৃণালের সহযোগী তপন পালের গোপাল বিডি ব্যবসার আধিপত্যেয় জিম্মি হয়ে পড়েছে কপিলমুনি এলাকার ব্যবসায়ীগণ,
অভিযোগের তদন্তে জানা গেছে নারায়ণপুর গোপাল বিড়ি কোম্পানি ডিলারশিপ রেজিস্টারে তপন পাল এবং পবিত্র বালার নামে কোন ডিলারশিপ নাই বলে সত্যতার প্রমাণ মিলেছে সেই ক্ষেত্রে অবৈধ ডিলার বলে গণ্য হয়,
ফলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীগণ তপন পালের প্রতারণার বিরুদ্ধে যে কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে বলে কপিলমুনি বাজারে অসংখ্য ব্যবসায়ীগণ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে,
প্রতিবেদনটি তৈরি করার সময় কপিলমুনি বাজার এলাকার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন নিজে ডিলার না তবুও নিজেকে গোপাল বিড়ির ডিলার বলে দাবি করে সরল সোজা ব্যবসায়ীদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছে তিনি এসময় আরো বলেন তপন পাল দীর্ঘ দিন ধরে একনম্বর বিড়ির সাথে ২ নম্বর নকল গোপাল বিড়ি মিশ্রণ করে বাজারে বিক্রি করছে, যা তার দীর্ঘদিনের পার্টনার পবিত্র বালা ও জানেনা বলে দাবি করেছে।
পাশাপাশি ভদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করা তার একপ্রকারের নেশা। এলাকাবাসীর অভিযোগে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য উঠে এসেছে এই তপন পাল এক সময়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী দলের দক্ষিণ বাংলা বটিয়াঘাটা এলাকার মৃণালের সহযোগী হিসেবে অসংখ্য পরিবার ও সাধারণ মানুষের ক্ষতি করেছে, মৃণালের পতনের পর নিজের এলাকা বটিয়াঘাটা থেকে সরে এসে কপিলমুনি শ্বশুর বাড়ি এলাকায় ঘাঁটি গেরেছে এর আগে নিজেকে রক্ষা করার জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালীন আওয়ামী লীগের পোষ্য গোলাম হিসেবে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপির অনেক ক্ষতি করেছে আর সেই ক্ষতির রেস থেকে আবারও রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে নতুন কৌশলে বর্তমানে বিএনপি’র নেতাদের সাথে সখ্যতা রাখার চেষ্টা করে নকল বিড়ি বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করার নেশায় মেতে উঠেছে।
সাধারণ একজন পান বিক্রেতা হাসতে হাসতে বলেন তার সাথে ব্যবসা না করলে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের নামে অপপ্রচার চালিয়ে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে এবং তাদের জীবননাশ ও ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার হুমকিও দিয়েছে, তাছাড়া তার ফেইসবুক পেইজে আরো লিখেছে গোপাল বিড়ি সে ছাড়া দ্বিতীয় কেউ বিক্রি করলে তাদের বেঁধে রেখে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে আর এই সুযোগ নিয়ে বছরে ব্যবসার বিশেষ মুহূর্তে বাজারে গোপাল বিড়ির তারল্য সংকট দেখিয়ে কালো বাজারির মাধ্যমে বস্তা প্রতি তিন থেকে চার হাজার টাকা মূল্য বৃদ্ধি করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
একই সাথে কোম্পানির সকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন এই ধরনের নীতি নির্ধারণ কোম্পানিতে নাই গ্রাহক কোম্পানি থেকে পণ্য কিনে যে কোন উপায় যে কোন বাজারে বিক্রি করতে পারে এটা তার নিজস্ব এখতিয়ার।
এসময় আরো একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী তপন পালের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন একজন হিন্দু হয়ে আরেকজন হিন্দুর সাথে কাদা ছোড়াছুড়ি ও জঘন্য অপকর্ম অপপ্রচার চালানো তার নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে তিনি আরো বলেন আমরা নিজেরা নিজেরাই যদি কামড়াকামড়ি করি তাতে আমাদেরই ক্ষতি হবে সেটা আমরা কেউ বুঝতে পারছি না, আর এমন অবস্থার মধ্য যদি এই তপনের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হই তাহলে আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।

