পঞ্চগড় জেলা সংবাদদাতাঃ পঞ্চগড়ে ঝড়ে শয়ন ঘর ভেঙ্গে পড়ে বিপাকে পড়েছেন দিনমুজুর সহিদা বেগম।অর্থের অভাবে ঘর মেরামত করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ছেলে-মেয়ে নিয়ে।জানা যায়,পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের লস্কর পাড়া এলাকার মৃত জব্বারের স্ত্রী সহিদা বেগম এক ছেলে-মেয়ে নিয়ে অতি কষ্টের পরিবার।ঋন করে দুটি টিনের ঘর তুলে বাস করতেন।সম্প্রতি কয়েকদিন টানা বৃষ্টি ও ঝড় বাতাসে সহিদা বেগমের ঘর দুটি ভেঙে পড়ে।এখন ঘর হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন ওই দিনমুজুর। ভুক্তভোগী সহিদা বেগম বলেন,ঝড়ে ঘর ভেঙ্গে পড়েছে।এখন কিভাবে ঘর ঠিক করবো টাকা পয়সা নাই। মানুষের বাড়িতে কাজকর্ম করে পরিবার চলে। ইউএনও স্যারের কাছে গিয়েছি এখন পর্যন্ত তারা কোন কিছু সাহায্য...
পঞ্চগড় জেলা সংবাদদাতাঃ
পঞ্চগড়ে ঝড়ে শয়ন ঘর ভেঙ্গে পড়ে বিপাকে পড়েছেন দিনমুজুর সহিদা বেগম।অর্থের অভাবে ঘর মেরামত করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ছেলে-মেয়ে নিয়ে।জানা যায়,পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের লস্কর পাড়া এলাকার মৃত জব্বারের স্ত্রী সহিদা বেগম এক ছেলে-মেয়ে নিয়ে অতি কষ্টের পরিবার।ঋন করে দুটি টিনের ঘর তুলে বাস করতেন।সম্প্রতি কয়েকদিন টানা বৃষ্টি ও ঝড় বাতাসে সহিদা বেগমের ঘর দুটি ভেঙে পড়ে।এখন ঘর হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন ওই দিনমুজুর।
ভুক্তভোগী সহিদা বেগম বলেন,ঝড়ে ঘর ভেঙ্গে পড়েছে।এখন কিভাবে ঘর ঠিক করবো টাকা পয়সা নাই। মানুষের বাড়িতে কাজকর্ম করে পরিবার চলে। ইউএনও স্যারের কাছে গিয়েছি এখন পর্যন্ত তারা কোন কিছু সাহায্য সহযোগিতা করে নাই।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান বলেন,আসলে মহিলাটি খুব অসহায়। ঝড়ে তার ঘর দুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় সাহায্যের জন্য আবেদন করেছে।আমি চেয়ারম্যানের সাথে পরামর্শ করেছি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জাকির হোসেন জানান, এ অর্থ বছরে টিনের বরাদ্দ এখনো আসেনি,আসলে টিন দেয়া হবে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।