সুলাইমান পোদ্দার স্টাফ রিপোর্টার (ভোলা)
ভোলার তজুমদ্দিনে বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কেয়ামূল্যাহ গ্রামের মহাদেব বাড়ি এলাকায় লালু দাসের ছেলেরা ভ্যানচালক শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণ করতে গেলে তিনি এতে বাধা দেন। এ সময় লালু দাসের ছেলে দ্বীবাকর, বিভীষণ ও বিধান চন্দ্র দাসের সঙ্গে শ্রীবাসের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
শ্রীবাসকে উদ্ধারে তার মা পুষ্পরানী দাস ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাস, তার মা পুষ্পরানী দাস, স্ত্রী শ্রীমতি রানী দাস এবং প্রতিপক্ষের স্বর্ণলতা দাস ও বিধান চন্দ্র দাসকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রীবাস চন্দ্র দাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাবা অমৃত চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, লালু দাসের ছেলেরা আমার পুত্র বুধুকে খারাপ ধরনের ইশারা ইঙ্গিত করে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লালু দাস বলেন, “ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাদের পক্ষেরও দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।”
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

