মোঃ আব্দুল আজিজ শেখ নওগাঁঃ
নওগাঁ আমের রাজধানী খ্যাত সাপাহার উপজেলায় চলছে, আম আড়ৎদারদের নিজের তৈরি আইনে ব্যাবসা,তোয়াক্কা করে না সরকারি নিয়ম নীতি।এতে ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে আম চাষী ও ব্যাবসায়ী।আম চাষীদের কাছ থেকে মাপ নিচ্ছেন ৫২ কেজিতে এক মন।এ যেন এক মঘের মূল্লুক,সাপাহার আম আড়ৎদার ব্যাবসায়ী সমবায় সমিতির লিঃ নামে এক সংগঠনের নেতাদের নির্ধারিত নিয়মের বাহিরে যাওয়ার কাহারো সুযোগ নাই। সাপারের আম আড়ৎ গুলে ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়।আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি কার্তিক শাহাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা,আপনি সাঃসম্পাদক মোঃইমাম হোসেন রিফাতের সাথে কথা বলেন।আম সমিতির সাঃসম্পাদক ইমাম হোসেন রিফাতের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি তার অফিসে, একঘন্টা অপেক্ষা করতে বলে,তিনি ৩ ঘন্টা পরে তার অফিসে সাক্ষাৎ দেন।তাকে ৫২ কেজিতে একমনের প্রশ্ন করা হলে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন,আম চাষিরা যদি দিয়ে খুশি থাকে সাংবাদিকের এত সমস্যা এবং জ্বলে কেন? আরও বলেন, চাপাই সহ সব জায়গায় এই মাপ চলছে। তিনি আরও জানান এটা পচনশীল কাঁচা মাল এবং ২ টা ক্যারেটের ওজন ৪ কেজি,এর বেশি তিনি উত্তর না দিয়ে অফিস ত্যাগ করে চলে যান। সেখান থেকে আমের আড়ৎতে গিয়ে একটা ক্যারেট ওজন করে দেখা যায় ১,২৫ কেজি তাহলে ২ টা ক্যারেটের ওজন আসে ২,৫ কেজি কিন্তু আম সমিতির সাঃসম্পাদক ইমাম হোসেন রিফাত বলেছেন যা মিথ্যা কথা ৪ কেজি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সাঃসম্পাদক রিফাতের আচরনে সাধারণ আম ব্যাবসায়ী মূখ খুলতে পারবে না, তিনি যা বলবেন সকল আম ব্যাবসায়ী মানতে বাধ্য। এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে দেখা যয়, তিনি মিটিং করছেন,বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করে, তিনি ব্যাস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।পরদিন ১৭/৬/২৬ ইং তারিখে নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার লক্ষ্যে কয়েক বারে হোয়াটসঅ্যাপ ও সরাসরি মোবাইল ফোনে প্রায় ১৩ বার ফোন করে রিচিভ না করলে তাঁহার হোয়াটসঅ্যাপ এ ম্যাসেস দিলে তিনি লিখে পাঠান আমি ব্যাস্ত আছি লিখে পাঠান। সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজ কে বিস্তারিত লিখে পাঠানোর পর আজও কোন উত্তর মিলে নাই। পরবর্তী সময়ে ট্রাপিক জাম ও নিরাপত্তার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল এসপি)শ্যামলী রানীর সাথে কথা বলে জানা যায়,নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর সরাসরি নির্দেশনায় ওসি সাপাহার থানা মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে থানা পুলিশ, দিন রাত ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা ও ট্রাপিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।সাপাহারের পার্শবর্তী উপজেলা পোরসা নোচনাহারে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। সেখানে ৪০ কেজিতে একমন, নোচনাহার আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি মোঃজিয়াউর রহমান বলেন এখানে সরকারি নিয়মের বাহিরে আমরা কোন কাজ করি নাই এবং করবো না।সেখানে ঢাকা বাদামতলী পাইকার ও খুচরা আম বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করে জানাযায়, ৪০ কেজিতে আড়ৎদার ক্রয় করে এবং ৪০ কেজিতে বিক্রয় করে,এতে উভয় লাভবান। যার ফলে সাপাহার আমের আড়ৎ থেকে পোরসা উপজেলায় নোচনাহার আম কিনতে যেমন ব্যাবসায়ী স্বাচ্ছন্দ বোধ করে তেমনি আম চাষীরা খুব খুশি।

