বিপ্লব সাহা,খুলনা ব্যুরো
ক্যামেরা হাতে ছুটে বেড়ানো নামের মাত্র অনলাইনের সাংবাদিকদের দৌরাত্মের কাছে মূলধারা সাংবাদিকতা হারিয়ে যেতে বসেছে সামান্য কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে সরকারি বেসরকারি উচ্চতর অফিস আদালত রাস্তায় চলার অটো রিক্সা সিএনজি ড্রাইভাররা পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে না এদের চাঁদাবাজির হাত থেকে দলবদ্ধ পদচারণায় প্রথম দর্শনে ভয়ে তটস্থ অফিস আদালতের সর্ব শ্রেণীর কর্মকর্তাগণ আর এমন ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে অনুমোদনহীন অনলাইন পোর্টালের হলুদ সাংবাদিকদের অত্যাচারে আর এমন অভিযোগ এসেছে খুলনার মূলধারা সাংবাদিক সংগঠন থেকে ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে খুলনায় অনুমোদনহীন অবৈধ অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের নামে ভুয়া সাংবাদিকদের ব্ল্যাকমেইল, প্রতারণা ও হয়রানি বন্ধে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে খুলনা প্রেসক্লাব। ভুয়া সাংবাদিকদের অপতৎপরতা রোধে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে যৌথ স্বাক্ষর করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই খুলনা ও আশপাশের এলাকায় একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি অবৈধ অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল খুলে অপসাংবাদিকতায় মেতে উঠেছে। এসব নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের কথিত সংবাদকর্মীরা হাতে ভুয়া মাইক্রোফোন ও ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের চরিত্র হরণ ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত এদের হাতে নানাভাবে প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই সংক্রান্ত অসংখ্য ভুক্তভোগীর অভিযোগ নিয়মিত খুলনা প্রেসক্লাবে জমা পড়ছে।
এমতাবস্থায়, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত বৈধ গণমাধ্যম ও প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সাধারণ জনগণকে ভুয়া গণমাধ্যম ও নামধারী সাংবাদিকদের হয়রানি থেকে রক্ষা করতে আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বিধি অনুযায়ী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবিলম্বে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করতে র্যাব-৬ কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

