লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া লক্ষ্মীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি বিক্রিকে কেন্দ্র করে চাঁদা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক কে এম রেজাউল ইসলাম জানান, তিনি গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে অবসর গ্রহণ করেন। অবসরের সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও অন্য ৫ জন শিক্ষকের উপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের সকল আসবাবপত্র, নথিপত্র ও কাগজপত্র বুঝিয়ে দিয়ে তিনি রিসিভ কপি গ্রহণ করেন।
সাবেক প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ গোপন রেখেছেন। প্রায় ১২ বছর আগে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হাফিজুর রহমান সহ সকল সদস্যগনের সিদ্ধান্তে বিদ্যালয়ের একটি জমি বিক্রি করা হয় এবং সেই টাকা দিয়েই বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার ৪টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়। সেই পুরোনো বিষয়কে সামনে এনে এখন তার দায়ভার সাবেক প্রধান শিক্ষকের ওপর চাপিয়ে দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, টাকা চাওয়ার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বর্তমান সভাপতির লোকজন তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
আমার অবসরের পর একটি মীমাংসিত বিষয় নিয়ে আমাকে হয়রানি ও টাকা চাচ্ছে এটা খুবই দুঃখজনক।
এঘটনায় এলএল গালস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন আমার যে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ ভাইরাল হয়েছে সেখানে আমার বক্তব্য সঠিক। সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন আমাকে বলেছিলো জমি বিক্রয়ের ১৮ লাখ স্কুল ফান্ডে জমা দিলে আমি হয়তো কমিটির সাথে কথা বলে মিমাংসা করে দেওয়ার চেষ্টা করবো।
এ বিষয়ে জানতে বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বলেন আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল এমন কাজ করছে। আমি এঘটনার কিছুই জানিনা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

