বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো:
প্রতিনিয়ত রাত পোহালে শোনা যাচ্ছে কোথাও না কোথাও খুনের ঘটনা লাশ পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে নদীর চরে খালে বা রাস্তার পাশে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল নিদ্রাহীন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নগরবাসী দখলদারি চাঁদাবাজির ফাঁকা গুলির আওয়াজ ভাঙচুর সহ নানা অপরাধের সংঘটিত হচ্ছে খুলনা নগরজুড়ে সবকিছু মিলে সন্ত্রাসীরা রামরাজত্ব পেয়ে বসেছে এতে ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যার প্রভাব পড়েছে সর্ব মহলে।
সাধারণ জনগণের অভিযোগ যতই প্রশাসন কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ততই অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে খুন খারাবি চাঁদাবাজি তো রয়েছেই সাথে মাদকের রয়েছে মহোৎসব সবখানেই যেন এক অসনি কালো থাবা আইন শৃঙ্খলা নিয়ে জনমনে উঠেছে নানান প্রশ্ন এক মহল্লায় অভিযান চালালেও আরেক মহল্লায় পড়ে থাকছে লাশ ভয়ে মুখ খুলছে না প্রত্যক্ষদর্শীরা গত একদিন আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খুলনা নগরীতে জাহিদুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। তার আগে ওই দিন সকালেই ১৮ বেকি নদীর সিংহের চর থেকে দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে প্রশাসন।
জখমের ঘটনাটি সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন ডালমিল মোড় এলাকার একটি গলিতে ঘটেছে।
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর ডান পায়ের হাঁটুর নিচে গুরুতর ক্ষত হয়েছে। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন। আহত জাহিদুল ইসলাম লবণচরা থানাধীন মোহাম্মদনগর এলাকার আবু হায়াতের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ডালমিল মোড়ের ভেতরের একটি গলিতে জাহিদুলের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া এলাকার সাগর (২৭) এবং তার সঙ্গে থাকা আরও তিন থেকে চারজন তাঁকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে ধারালো চাপাতি দিয়ে তাঁর ডান পায়ের হাঁটুর নিচে কোপ মেরে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় জাহিদুলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁকে ভর্তি করা হয়।
মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে এমন ধারালো অস্ত্রের হামলার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
তবে বিরোধের প্রকৃত কারণ, হামলায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার পেছনে মাদক কারবারের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে পুলিশ বলছে মাদক সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষ এ ঘটনা ঘটিয়েছে। খুলনার মানুষ সম্ত্রাসী গ্রুপ গুলোর খুন,জখম, চাঁদাবাজি ও জমি- ব্যবসা প্রতিষ্টান দখলের অত্যাচারে এখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। খুলনাবাসী রয়েছেন এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায়।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করলেও জনগণের মনে থেকে যাচ্ছে চরম ভীতি কারণ শহর জুড়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে নেককারজনক ঘটনা ফলে সবকিছু মিলে অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে প্রশাসনের দিকে লোক দেখানো অভিযান ব্যর্থ প্রচেষ্টায় অভিযুক্তদের আশার গুড়েবালি।

