ঢাকাSunday , 7 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অভিযোগ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আটক
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আবহাওয়া
  9. ইতিহাস
  10. কবিতা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি
  13. খুন
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তজুমদ্দিনে জেলেদের ভিজিএফের চাল আত্মসাতের অভিযোগ।

Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার ভোলা।।

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা নিবন্ধিত জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফের (VGF) চাল আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ২ নং সোনাপুর ইউনিয়নে (প্যানেল চেয়ারম্যান)রিজন মেম্বারের বিরুদ্ধে।চাল না পেয়ে কার্ড ধারী ৭০/৮০ জন জেলে আজ ৭ জুন (রবিবার) তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেন। তারা জানান সোনাপুর ইউনিয়নে প্রায় ৩০০ জন কার্ড ধারী জেলেকে চাল না দিয়ে সোনাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রিজন মেম্বার ও ইউনিয়ন সচিব মিলে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চালগুলো তারা বিক্রি করে দেন।

তারা চালের জন্য জেলে কার্ডের ফটোকপি জমা দিলে প্যানেল চেয়ারম্যান তা ছিঁড়ে ফেলে দেন। চাল না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম খাদ্য সংকটে দিন কাটাচ্ছেন উপকূলের শত শত জেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনা নদীতে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জেলেদের সহায়তার জন্য খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিজন জেলের চাল পাওয়ার কথা থাকলেও, তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নে চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র দেখা গেছে।

ভুক্তভোগী রাশেদ জানান মাস্টাররোলে জেলেদের অজান্তেই ভুয়া টিপসই বা স্বাক্ষর নিয়ে পুরো চাল তুলে নেন তারা।

প্রকৃত ও নিবন্ধিত অনেক জেলের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রভাবশালীদের আত্মীয়-স্বজন ও সচ্ছল ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চর এলাকার কয়েকজন ভুক্তভোগী জেলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সরকার আমাদের জন্য যে চাল পাঠাইছে, তাও চেয়ারম্যান-মেম্বাররা মিলে খাইয়া ফেলতাছে। ৫ নং ওয়ার্ডের রফিক মেম্বার জেলের কার্ড জমা নিয়ে তার দলীয় ও পরিচিত লোকদের মাঝে চাল বিতরণ করে মোবাইল বন্ধ করে রাখেন।

আরেক জেলে জানান, তাদের খবর দিয়ে চর থেকে এনে ২/৩ দিনে ও চাল দেন না। তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও গুদামে চাল আসার পর তাকে জানান তার বরাদ্দ শেষ। অথচ তিনি এক ছটাক চালও চোখে দেখেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রিজন মেম্বার অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন প্রায় ৫ হাজার জেলেকে চাল বিতরণে করা হয়েছে। তবে তার মাঝে কিছু জেলে বাদ যেতেই পারে। বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নয়। মাস্টাররোল অনুযায়ী স্বচ্ছতার সাথেই চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেনের কাছে এই বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে অস্বীকার জানান। তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বনি আমিন জানান, জেলেদের চাল আত্মসাতের বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST