ঢাকাMonday , 25 May 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অভিযোগ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আটক
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আবহাওয়া
  9. ইতিহাস
  10. কবিতা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি
  13. খুন
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লোহাগড়ায় সরকারি চাউল (ভিজিডি) বিক্রির অভিযোগ।

Link Copied!

জেলা প্রতিনিধি নড়াইল

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নে সরকারি ভিজিডির চাউল আত্মসাৎ করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান মোঃ লাবু মিয়া ও কয়েকজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, শালনগর ইউনিয়নের ২৮৯ জন কার্ডধারী উপকারভোগীর মধ্যে প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ৩০ জন উপকারভোগী চাউল পাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে বিকেলে শালনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে ভ্যানযোগে শিয়েরবর বাজারে চাউল ব্যবসায়ী হায়াত আলীর দোকানে সরকারি লোগো সম্বলিত ১৯ বস্তা চাউল নামানো হয়। এছাড়া ভ্যানে আরও ৭ বস্তা চাউলসহ মোট ২৬ বস্তা সরকারি লোগোযুক্ত চাউল পাওয়া যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব চাউল সরকারি ভিজিডি কর্মসূচির আওতাভুক্ত, যা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মন্ডলবাগ বাজারে হায়াত আলীর আরেকটি দোকানেও প্রায় ৬০ বস্তা ভিজিডির চাউল মজুত ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে দ্রুত সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয় বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, শালনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ লাবু মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইয়াবা সেবনসহ নানা অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি নাশকতা মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

চাউল ব্যবসায়ী হায়াত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি টাকা দিয়ে চাউল কিনেছি।” তবে সরকারি চাউল কেন ক্রয় করেছেন—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে শালনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ লাবু মিয়া বলেন, “কার্ড অনুযায়ী চাউল বিতরণ করা হয়েছে। উপকারভোগীরা যদি পরে সেই চাউল বিক্রি করে, তাহলে সেখানে আমার কিছু করার নেই। আমি বা কোনো মেম্বার চাউল বিক্রির সঙ্গে জড়িত নই।”

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরীন আক্তার বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি চাউল বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।”

লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার বলেন, “ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছি। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সরকারি খাদ্য সহায়তার চাউল নিয়ে এমন অভিযোগে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে লোহাগড়া উপজেলাকে ‘দুর্নীতির আখড়া’ উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST